ঝালকাঠিতে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মামলার ধার্য্য তারিখ বৃহস্পতিবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। লঞ্চ মালিক হামজালাল শেখসহ আসামিরা কেউ আদালতে উপস্থিত না থাকলেও তাদের আইনজীবী আসামিদের পক্ষে জামিন আবেদন করেন। সেইসাথে মামলা স্থগিতের জন্যও আবেদন করেন।

বৃহস্পতিবার সকালে ঝালকাঠি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামি পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আনইনজীবী জিকে মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি জামিন শুনানিতে বলেন, একই অপরাধের মামলা দেশের বিভিন্ন আদালতে চলতে পারে না। এছাড়া মামলাটি নৌ-অপরাধ আইনে হওয়ায় কেবলমাত্র সেখানেই বিচারিক কার্যক্রম চলার আইনগত বিধান রয়েছে। এ কারণে ঝালকাঠি আদালতে মামলা চলতে পারে না উল্লেখ করে তিনি মামলার স্থগিত আদেশ চেয়ে আসামিদের জামিন আবেদন করেন।

বিচারক শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার বৈকালিন পর্বে আদেশ রাখার কথা জানান।

পরে বৈকালিন পর্বে ঝালকাঠি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এএইচএম ইমরানুর রহমান লঞ্চ ট্রাজেডির ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি নৌ আদালতে স্থানান্তরের আদেশ দেন।

ঝালকাঠি সুগন্ধা নদীতে গত ২৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে অভিযান-১০ নামে বরগুনাগামী লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। এ ঘটনায় একই পরিবারের নিখোঁজের ৪ জনের পক্ষে ঢাকার ডেমরা এলাকার মনির হোসেন গত ২৭ ডিসেম্বর ঝালকাঠি সদর থানায় দায়িত্বে অবহেলায় মৃত্যু ঘটনার অভিযোগে লঞ্চমালিক হামজালাল শেখসহ ৮ জন নামোল্লেখ ও অজ্ঞাত ২০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

এর আগে সম্প্রতি বরগুনার আদালত থেকে একই অভিযোগের মামলায় আসামিরা জামিন পান।