ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে খামার তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে মাছচাষ করায় বিলীন হতে বসেছে অসখ্য সরকারি সড়ক ও বসতভিটা। প্রভাবশালীরা এসব মাষ চাষে জড়িত থাকার কারণে অনেকেই প্রতিবাদ করারও সাহস পান না। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে এক বসতবাড়ির মালিক জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রভাবশালীরা বিল ভাড়া নিয়ে বছরের পর বছর মাছের চাষ করে আসছেন। খামরের পাড় মেরামত না করায় বিভিন্ন সরকারি রাস্তা ও বসতভিটা বিলীন হতে চলেছে। প্রতিবাদ করলে ভয়ভীতিসহ মামলার হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, উপজেলার বাহিরপাথর গ্রামে ছোটবিলা নামক ২০ একরের বিলটি ভালুকা পৌর এলাকার বাসিন্দা জনৈক সুজন মিয়া কাঠা প্রতি বার্ষিক চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার টাকায় ভাড়ায় নিয়ে ১০ বছর ধরে মাছচাষ করে আসছেন। বারবার বলার পরও পাড় মেরামত না করায় অনেকের বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়েছে। জমির মালিক তাজউদ্দিন আহম্মেদ তানভীর জানান, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এই বিলে মাছচাষ করা হচ্ছে। বাড়িভিটের অনেকটাই খামারে চলে গেছে। বারবার বলার পরও খামার মালিক তোয়াক্কা করছেন না। এমনকি গত ১০ বছরে তাকে এক টাকাও ভাড়া দেননি খামার মালিক। তা ছাড়া মোহাম্মদ আলী, চান মিয়া ও শাহজাহানসহ অনেকের বাড়ির পাড় ভেঙে খামারে চলে গেছে। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক তাজউদ্দিন আহম্মেদ তানভীর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন জানান, অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা মাছের খামারের কারণে সরকারি সড়ক ও বসতবাড়ির যে ক্ষতি হয়েছে সে ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভালুকায় মাছের খামারে বিলীন বসতভিটা ও সড়ক
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে খামার তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে মাছচাষ করায় বিলীন হতে বসেছে অসখ্য সরকারি সড়ক ও বসতভিটা। প্রভাবশালীরা এসব মাষ চাষে...





