সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির সত্যতা স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃতরা।
মঙ্গলবার দুপুরে শরীয়তপুর পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেছেন পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুজ্জামান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মার্চ রাতে পালং থানাধীন আংগারিয়া বাজারের আফজাল স্টোরের সামনে থেকে ৭টি প্লাস্টিকের ড্রামে ১ হাজার ৪০০ লিটার ও হালিম স্টোরের সামনে থেকে ৪টি ড্রামে ৮০০ লিটার সয়াবিন, কেরোসিন ও ডিজেল তেল চুরি হয়। এ বিষয়ে পালং মডেল থানায় একটি চুরি মামলা হয়।
আংগারিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আকুল চন্দ্র বিশ্বাস মামলার তদন্তকালে বাজারে থাকা সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পালং থানার চরপাতাং গ্রামের আকবর বেপারীর ছেলে শাকিলকে (২৪) শনাক্ত করেন। তখন শাকিল পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলায় অন্য একটি চুরি মামলায় গ্রেফতার ছিল।
পরে তদন্ত কর্মকর্তা পালং থানার চুরি মামলায় শাকিলের সম্পৃক্ততা দেখিয়ে মাদারীপুর আদালতে রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল চুরির সত্যতা স্বীকার করে।
শাকিলের দেয়া তথ্যমতে, পালং থানার কাশাভোগ এলাকার একটি বন্ধ গ্যারেজ থেকে উপরগাঁও গ্রামের আজিজ খানের ছেলে দুলাল খান ওরফে দুলাল দেওয়ান, মুন্সীগঞ্জ জেলার টুঙ্গীবাড়ি উপজেলার রংমেহের গ্রামের কাশেম শেখের ছেলে স্বপন শেখ ওরফে সোহেল ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিন হাসনাবাদ গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে তুহিন হাওলাদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ পর্যন্ত এই মামলার ৭ জন আসামিকে শনাক্ত করতে পেরেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। শনাক্তদের মধ্য থেকে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর দুই আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান, পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আক্তার হোসেন, ওসি-তদন্ত আতিকুল্লাহ, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আকুল চন্দ্র বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।





