ইউপি নির্বাচনের দ্বন্দ্বের জের ধরে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার চারদিন পরও মামলা নেয়নি কাশিয়ানী থানার পুলিশ এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। শনিবার রাত ৮টার দিকে ইউনিয়নের তিলছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ভাইসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে কাশিয়ানী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত মান্নান শিকদার।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগীরা জানান, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বদরুল আলম বিটুলের নির্বাচন না করে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ফেরদাউস হোসেনের নির্বাচন করায় মান্নান শিকদার ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে বিটুলের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে শনিবার রাতে ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল আলম বিটুল ও তার লোকজন লোহার রড, চাপাতি, শাবল, হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মান্নান শিকদারের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে। বাধা দিতে গেলে মান্নান শিকদার (৬৫) ও তার স্ত্রী ডলি বেগমকে (৫০) এলোপাতাড়ি মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এ সময় তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল আলম বিটুল বলেন, আমি ভাঙচুরের বিষয়ে কিছুই জানি না। তারা আমার ভাগ্নেকে মারধর করেছে। হয়তো তারা নিজেরা ভেঙে আমাদের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করার চেষ্টা করছে।
কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাসুদ রায়হান বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। তবে তাদের পূর্ণাঙ্গ অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে আমরা আইনানুগভাবে মামলা রেকর্ড করব।