সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার জয়ানরুরে ফুলজোর নদীর ওপরে একটি সেতুর অভাবে ১৫ গ্রামের ৪০ হাজার মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোনো মতে বাঁশের সেতুর ওপর দিয়েই পারাপার হচ্ছে তারা। গ্রামবাসীর হাঁড়ি চাঁদার মাধ্যমে নির্মিত বাঁশের এ সেতু দিয়ে যুগের পর যুগ চললেও আজও নজর আসেনি কর্তৃপক্ষের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের জয়ানুর গ্রামের ফুলজোর নদীর বাঁশের সেতু দিয়ে ঘুড়কা, আঙ্গারু, বিষ্ণুপুর, বেগনাই, তেঘরী, রয়হাটিসহ ঘুড়কা নতুন পাড়ার ৪০ হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে। ধানগড়া ইউনিয়নের ৯ গ্রামের মানুষের হাট-বাজার ও সব কাজের প্রয়োজনে যাওয়া-আসার ভরসা এই বাঁশের সাঁকো। ঘুড়কা ইউনিয়নের ছয় গ্রামের মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে যাতায়াত করে নদীর অপর দিকের গ্রাম ও উপজেলা সদরে। আর নদীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত বেগনাই তেঘরী সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে, জয়ানপুর উচ্চবিদ্যালয় ও জয়ানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং নদীর পূর্বপাড়ে অবস্থিত ঘুড়কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘুড়কা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ও ঘুড়কা মাদরাসা। ফলে নদীর উভয় প্রান্তের শিশু শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা করে। এতে অভিভাবকরা থাকেন উদ্বিগ্ন। এ নদীর ওপরে একটি সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয়দের দাবি দীর্ঘদিনের।
ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান তালুকদার জানান, সেতু নির্মাণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আতিকুর রহমান জানান, ফুলজোর নদীর ওপর ১০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণে মন্ত্রণালয়ে আবেদন জমা দেয়া হয়েছে, পাস হলেই সেতুর কাজ শুরু হবে।