জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে আয়েশা ছিদ্দিকা (২০) নামের এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের মাঝিনা গ্রামে। আয়েশা ছিদ্দিকা জয়পুরহাট সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ও ওই গ্রামের মোজাম্মেল হকের মেয়ে।
সরেজমিন নিহতের বড় ভাই ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা যায়, ঈদের পরের দিন আয়েশা ছিদ্দিকাকে বাড়িতে রেখে তার ভাই পরিবার নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যায়। গত শুক্রবার সকালে আয়েশা প্রতিবেশী নারীদের সাথে দিনাজপুরের স্বপ্নপুরীতে পিকনিকে যায়। রাত ৯টার দিকে বাড়িতে এসে বাড়িতে কেউ না থাকায় পাশের বাড়ির দুই ভাস্তিকে নিয়ে ঘরে শুয়ে পড়ে। রাত ১১টার দিকে আয়েশা পাশের ঘরে ফোনে কথা বলতে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে রাতের কোন এক সময় কে বা কারা কৌশলে বাড়ির সীমানা প্রাচীর টপকিয়ে ভেতরে ঢুকে আয়েশার মুখে কাপড় গোঁজে ধর্ষণ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। সকালে অন্য ঘরে শুয়ে থাকা ভাস্তিরা জেগে উঠে বাইরে থেকে ঘরের দরজা আটকানো দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করলে পাশের বাড়ি থেকে তাদের মা এসে দরজা খুলে দেন। পরে তারা আয়েশার মুখে কাপড় গোঁজা ও বিবস্ত্র মৃত দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে। এ ঘটনা দেখে তারা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে উপস্থিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাঁচবিবি সার্কেল) ইশতিয়াক আলম বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মেয়েটিকে ধর্ষণের পর শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর হত্যার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।





