চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে রোববার দিনভর সংঘর্ষে এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময়ে দুই গ্রুপের কর্মীদের হাতেই ধারালো অস্ত্রশস্ত্র দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কারো কারো হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও দেখা গেছে। এতে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মশিউর রহমান মিটুসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।
রোববার দুপুর ১২টা থেকে ফরিদগঞ্জ পৌর বাজার ও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল ও পটকা বিস্ফোরিত হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাজারের পূর্বপ্রান্তে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ শনিবার বিকেলে সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে। এরপর অন্য গ্রুপও একই দিনে কর্মসূচি ঘোষণা করলে ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি হুমকি-ধমকি চলতে থাকে। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দুই গ্রুপের নেতাদের সাথে আলোচনা করেন। এতে বাকিবিল্লাহর নেতৃত্বাধীন গ্রুপ শনিবার থেকে পিছিয়ে রোববার সমাবেশ ও মিছিলের ঘোষণা দেয়। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী একদিন পিছিয়ে রোববার বাকিবিল্লাহর নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগ উপজেলা কমিটি পুনরায় সমাবেশের প্রস্তুতি নেয়। এরপর পৌর ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি আলী নেওয়াজের কমিটিও ঈদ পুনর্মিলনীর ঘোষণা দেয়। খবর শুনে পুনরায় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দু’টি কর্মসূচি বন্ধের চেষ্টা করে।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মণ্ডল বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু সন্ধ্যার আগে অতর্কিতে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র বহনকারীদের খুঁজে বের করে আটক করা হবে।