ফরিদপুরের সালথায় শিশুদের মারামরিকে কেন্দ্র করে বড়দের মধ্যে সংঘর্ষ ও বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার উপজেলা সদরের মাঠ সালথা গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শর্টগানের ফাঁকা গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেট ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাঠ সালথা গ্রামের বাসিন্দা সৈয়দ আলী মীরের সাথে পাঞ্জু মাতুব্বরের বিরোধ চলছিল। বুধবার বিকেলে ওই গ্রামে ওজন মাপার পাঁচ কেজির একটি পাথর চুরি নিয়ে একদল শিশুদের মধ্যে মারামারি হয়।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এ নিয়ে সন্ধ্যায় পাঞ্জুর সমর্থক মুসা মোল্যার সাথে সৈয়দ আলীর সমর্থক ওমর আলীর কথা কাটাকাটি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পাঞ্জুর সমর্থক জাকিরের বাড়িতে হামলা চালান হয়। এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সকালে উভয়ের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ।
এ সময় ভাঙচুর করা হয় উভয় পক্ষের অন্তত ৫টি বসতঘর। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে জাহিদ শেখ, আকরাম লস্কার, ওমর আলী মীর, মনির মাতুব্বর, ফারুক মোল্যা, জাকির মোল্যা, আওলাদ লস্কার, ছিরু লস্কার ও সোহাগ মীর নামে ৯ জনকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
তবে সংঘর্ষের বিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্য উভয় পক্ষের মাোব্বরদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শেখ সাদিক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি সাউন্ড গ্রেনেট ও শর্টগানের দুটি ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিবেশ এখন শান্ত। সংঘর্ষের বিষয়টি তদন্ত করে উভয় পক্ষের জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





