কুষ্টিয়ায় ২৫ বোতল ফেন্সিডিল রাখার দায়ে সুজন মন্ডল (২৫) নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

রোববার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো: তাজুল ইসলাম এই রায় প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন মন্ডল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চর সোনাতলা গ্রামের মৃত সাদেক মন্ডলের ছেলে। এই মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামি সুজন পলাতক থাকার কারণে তার অনুপুস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়। কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই সকাল পৌনে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে দৌলতপুরের চড়দিয়াড় পশ্চিম পাড়া গ্রামে অভিযান চালায় দৌলতপুর থানা পুলিশ। এ সময় ওই এলাকার ঈদগাহের পাশ থেকে সুজন মন্ডলকে আটক করা হয়। আটকের পর সুজনের হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করে পুলিশ।

ওই ঘটনায় দৌলতপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খসরু আলম দৌলতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আসামি সুজনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।

পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এই রায় ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অনুপ কুমার নন্দী জানান, অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি সুজন মন্ডলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। এই মামলার একমাত্র আসামি সুজন মন্ডল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পালিয়ে যান, তাই আসামির অনুপুস্থিতিতে এই মামলার রায়
ঘোষণা করা হয়েছে।