প্রায় দেড় বছর আগের একটি ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ বুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) টাঙ্গাইল। মির্জাপুর উপজেলার দেওভোগ দক্ষিণপাড়া এলাকার হযরত আলীকে তার ছেলে জাহাঙ্গীর মোল্লা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা পর ভাগ্নে আসিফের সহায়তায় পুকুরে কচুরিপানার নিচে লাশ লুকিয়ে রাখে। এ ঘটনায় আসিফকে গ্রেফতারের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। এর আগে গ্রেফতার করা হয় ছেলে জাহাঙ্গীরকে স্বীকারোক্তিতে জানান, জমির লোভে বাবাকে হত্যা করেছেন।
টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানবীর আহাম্মেদ নয়া দিগন্তকে বলেন, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার আসামি আসিফকে গ্রেফতার করে গতকাল সোমবার বিকেলে আদালতে পাঠায় পিবিআই। আদালতে সে নিজের দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। মির্জাপুর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ তার জবানবন্দী রেকর্ড করেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
পিবিআই জানায়, ২০২১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে ছেলে জাহাঙ্গীরের লাঠি পেঠায় খুন হযরত আলী আট দিন পর সেই পুকুর থেকে হযরত আলীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হযরত আলীর আরেক ছেলে সুজন মোল্লা অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তভার ন্যাস্ত হয় পিবিআই-এর ওপর। ঘটনায় গতকাল লাউহাটি থেকে আসিফকে গ্রেফতার করে। জাহাঙ্গীর মোল্লাকে কয়েক মাস আগেই গ্রেফতার করেছে।