কক্সবাজারের উপকূলীয় উপজেলা পেকুয়ায় বেড়িবাঁধের রাজাখালী অংশের প্রায় দুই কিলোমিটার অরক্ষিত। বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীন ৮ নম্বর পোল্ডারের ওই বেড়িবাঁধের একটি স্লুইসগেটের মাটি ধসে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙা স্লুইস গেটে মেরামত করা না হলে শতাধিক চিংড়ি ঘের, বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন।
সরেজমিন দেখা যায়, ২০১৮ সালে ওই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে রাজাখালী ইউনিয়নের বদিউদ্দিন পাড়ার অংশ কুতুবদিয়া চ্যানেলের ভোলা খাল থেকে সুরক্ষিত করা হয়। বেড়িবাঁধের ৮নং স্লুইসটি অন্তত ৬০-৬৫ বছরের পুরনো। চলিত বছর বর্ষার শুরুতে স্লুইসগেটটির মাটি ধসে পড়ে। কয়েক মাস আগে একাধিকবার মাটি ফেলে বেড়িবাঁধের ভাঙন রোধের চেষ্টা করে স্থানীয়রা। কিন্তু স্লুইসগেট দিয়ে পানি চলাচলের কারণে বেড়িবাঁধে ফাটল ধরে স্রোতের তোড়ে মাটি সরে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ নুরুল আবছার, বাদশা, জাহাঙ্গীর আলম, ছমি উল্লাহ ও বশির আহামদ বলেন, মাটি ধসের ফলে স্লুইসগেটের পাশের চিংড়ি ঘের ও ধানী জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জরুরি ভিত্তিতে কাজ করা না হলে পূর্ণিমার জোয়ারে চিংড়িঘের ও বসতঘর সবই তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রাজাখালী ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল সিকদার বাবুল বলেন, এ বিষয়ে কেউ আমাকে অবগত করেনি। তবে জনস্বার্থে পাউবোর সাথে আলাপ করে দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামত করা হবে।