রাকিবুল ইসলাম, ধুনট (বগুড়া)
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় নিমগাছী ইউনিয়নের মাজবাড়ি গ্রামের চাষি রেজানুর রহমান কচুর লতি চাষে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। কৃষি কাজের প্রতি প্রবল আগ্রহ আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কচুর লতি বিক্রি করে এলাকায় রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
জানা গেছে, নিজের ৩০ শতাংশ জমিতে উন্নত জাতের কচু চাষ করেন চাষি রেজানুর। সবজি হিসেবে কচু বিক্রির উপযুক্ত হওয়ার আগেই লতি বিক্রি করে এখন পর্যন্ত আয় করেছেন ৫০ হাজার টাকা। পরিচর্যা, সার ও কীটনাশকসহ তার মোট খরচ মাত্র তিন হাজার টাকা।
কচুর লতি চাষে তুলনামূলক কম শ্রম ও অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন কচুর লতি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এই অঞ্চলের চাষিরা। ধানের থেকে তা লাভজনক হওয়ায় কচুর লতি চাষে ঝুঁকছেন কৃষক। এছাড়া কচুর লতি চাষে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই এর ফলনও হচ্ছে অনেক বেশি।
সরেজমিন দেখা যায়, বাজারে বিক্রির জন্য বাড়ির পাশে নিজ কচু ক্ষেত থেকে লতি সংগ্রহ করছে রেজানুর। তিনি বলেন, প্রতি শনিবার ও বুধবার স্থানীয় বাজারে লতি বিক্রি করেন। প্রতি কেজি লতি বিক্রি করা হয় ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। তিনি ধারণা করছেন, অন্তত আরো ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করতে পারবেন।
ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম বলেন, কচু একটি দীর্ঘমেয়াদি লাভজনক ফসল। কৃষক অন্য যেকোনো ফসলের চাইতে কচু চাষ করে অল্প খরচে বেশি লাভবান হতে পারেন। কচু ও লতি চাষে আগ্রহ বাড়াতে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।









