পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ দ্রুত করা এবং রাস্তার ধুলাবালি ও ভোগান্তি কমাতে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করেছেন। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার সড়ক অবরোধ করলেও ঠিকাদার বা এলজিইডি কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেবীগঞ্জ সবুজপাড়া এলাকায় এলাকাবাসী রাস্তাটি অবরোধ করেন। ঘণ্টাব্যাপী অবরোধে দুপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো: শাকিল বলেন, ঠিকাদার রাস্তায় পানি না দেয়ায় ও রোলার না করায় কার্পেটিংয়ের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। বললেও ঠিকাদার শুনছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এ অংশের ঠিকাদার দেলু।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ। জনগন বিরক্ত হয়ে উঠেছে। বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি অথবা আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতর অবনতি এড়াতে দ্রুত রাস্তার কাজ শেষ করার কথা বলছেন তারা।

জানা গেছে, দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীগঞ্জ-পঞ্চগড় সড়কের প্রায় পাঁচ কিলোমিটার (তিস্তার হাট থেকে দেবীগঞ্জ এলএসডি) পর্যন্ত রাস্তার কাজ দীর্ঘ দিনেও শেষ হয়নি। এতে করে মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণিপেশার মানুষ। রাস্তাটির কাজ কেবল খুঁড়ে বালি ও পাথর বসানোর কাজ পর্যন্ত আটকে গেছে। ব্যস্ততম এই রাস্তাটি দিয়ে ঢাকাগামী ডে-নাইট কোচ, বিআরটিসি বাসসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচল করায় প্রতিনিয়ত ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে।

এলাকাবাসী জানান, কাজ শেষ না করায় ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন হয়ে থাকছে বাড়িঘর। এতে করে দোকান মালিক ও আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশ ভোগান্তিতে পড়ছেন। এছাড়া সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন দেবীগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা গর্ভবর্তী মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধরা।

অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম ফেরদৌস। রাস্তার এ বেহাল দশা দেখে ইউএনও সংশ্লিষ্টদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলে অবরোধ তুলে নেয় অবরোধকারীরা।