সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে লিফলেট বিতরণকালে আওয়ামী লীগের হামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপির নেত্রী সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদসহ প্রায় ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
গতকাল শনিবার দুপুরে রুমানা মাহমুদ তার বাসভবনে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে গত শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা সদরে পথসভা শেষে লিফলেট বিতরণ করার সময় আওয়ামী যুবলীগের সন্ত্রাসীরা লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। এ সময় তারা আমার মাথায় আঘাত করলে হাত দিয়ে ঠেকাতে চেষ্টা করি। এতে আমার হাতের কবজিতে আঘাত লেগে কেটে যায়। তারা পাপিয়ার ওপর হামলে পড়ে। পাপিয়ার সারা শরীর ও পা মারধরে জখম হয়। সিরাজগঞ্জ সদর আসনের এমপি ডা: হাবিবে মিল্লাত মুন্নার নির্দেশে এই হামলা করা হয়েছে বলে রুমানা মাহমুদ দাবি করেন।
অপর দিকে কামারখন্দে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলার প্রতিবাদে শনিবার সকালে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এ দিকে শুক্রবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে আওয়ামী লীগ পুলিশ এবং বিএনপির মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত দু’জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত বিএনপি কর্মীরা হলো জামতৈল গ্রামের হাবিল উদ্দিন এবং আলোকদিয়া গ্রামের লাবলু তালুকদার। অপর দিকে শনিবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিম রেজা বাদি হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির নামে মামলা করেছে।





