নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লোকমান ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কামরুল হাসান কার্জন নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) শহরের এ আর সেন্টারে দিনব্যাপী দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের মাঝে দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত প্রত্যক্ষ ব্যালটে ভোট গ্রহণের আয়োজন করা হয়।
সন্ধ্যায় ভোট গণনা শেষে ফলাফল জানান প্রধান নির্বাচন পরিচালক বর্ষীয়ান নেতা নজরুল ইসলাম প্রামাণিক ও সহকারী মুকুল মাস্টার। এ সময় কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ ছাড়াই মনোনীত পৌর শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামও ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন হাজী রশিদুল হক সরকার ও শেখ বাবলু।
উপজেলা সভাপতি পদে রেজাউল করিম লোকমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২০৬ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী মনোয়ার হোসেন মন্টু দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১২৪ ভোট। আর সাধারণ সম্পাদক পদে কামরুল হাসান কার্জন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ১৮৮ ভোট। নিকটতম শরীফুল ইসলাম সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১৪৬ ভোট।
উপজেলা কমিটির বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: হাফিজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। মনোনীত পৌর কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আখতার, সহ-সাধারণ সম্পাদক ওসমান শেখ ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবুদ্দীন বাদল।
এদিকে সকালে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন প্রধান অতিথি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ড্যাব সভাপতি ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রধান বক্তা রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। উদ্বোধন করেন সাবেক সংরক্ষিত নারী এমপি বিলকিস ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এস এম ওবায়দুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার।
এছাড়াও জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়কদের মধ্যে কাজী একরামুল হক, সহকারী অধ্যাপক শওকত হায়াত শাহ, শফিকুল ইসলাম জনি, সামসুল আলম সরকার, মাসুদ রানা পাটোয়ারি, জিয়াউল হক জিয়া ও কামরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা আহ্বায়ক রেজাউল করিম লোকমান ও পৌর আহ্বায়ক শেখ বাবলু।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন যৌথভাবে উপজেলা সদস্য সচিব রিয়াজুল হক লিটন ও পৌর সদস্য সচিব এরশাদ হোসেন পাপ্পু। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উপজেলার ৩৫৫ জন কাউন্সিলর ভোট প্রদান করেন। পৌর কমিটির ভোট গ্রহণ হয়নি। পৌর শাখার কাউন্সিলর এক হাজার ৫৬ জন।





