দিনাজপুর শহরের একটি ভাড়া বাসায় পড়ে আছে স্বামী-স্ত্রীর লাশ। তবে এখনো তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়নি। ফরেনসিক বিভাগের লোকজন এসে পৌঁছালে তাদের লাশ উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালে শহরের লিলি মোড়ের লুৎফুন্নেছা টাওয়ার অ্যান্ড শপিং কমপ্লেক্সের পাশের ভাড়া বাসায় তাদের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা।

নিহতরা হলেন ৬৫ বছর বয়সী মজিবর রহমান ও ৪৫ বছর বয়সী সুরাইয়া বেগম। নিহত মজিবর শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গার রহিম উদ্দিন আহমেদের ছেলে।

নিহত সুরাইয়া বেগমের ছেলে সিরাজুল ইসলাম জানান, ‘আমার বাবা মারা যাওয়ার পর মা সুরাইয়া বেগম এই মজিবর রহমানকে বিয়ে করেন। প্রায় ২০ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের সম্পর্কের মাঝে কোনো দিন কোনো ঝামেলার কথা শুনিনি। ভালই ছিলেন তারা। হঠাৎ কিভাবে এবং কেন এমন হলো আমি কিছুই বলতে পারছি না। তবে আমি তদন্ত সাপেক্ষে এই হত্যাকান্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি’।

তিনি জানান, প্রায় ১৮ বছর থেকে মা-বাবা এই বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করছিলেন।

দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মমিনুল করিম বলেন, স্বামী মজিবর রহমানের লাশ ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় ও তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের লাশ রান্না ঘরে মাথা থেতলানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সিআইডি, ডিবিসহ পুলিশের বিভিন্ন বিভাগ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ দুটি উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।