স্কুলটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেড় শতাধিক। শিক্ষক ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনই মহিলা। প্রায় তিন বছর সময় ধরে স্কুলটিতে ছিল না শৌচাগার। শৌচাগার ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিদ্যালয়ের আশপাশের বাসাবাড়িতে যেতে হতো। এতে করে আশপাশের বাড়ির লোকজনও বিরক্তবোধ করতো। তালাবদ্ধ দোতলা শৌচাগারটির কাজ দ্রুত স¤পন্ন করে খুলে দেয়ার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার তাগিদ দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি। বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবদীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর সমাধান চেয়ে একটি আবেদন করেন। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়। এত কিছুর পর অবশেষে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শৌচাগারটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে। এ অবস্থা চলছিল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবদীন বলেন, শৌচাগার ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান কি চলতে পারে? তবুও চলেছে কয়েক বছর। বহুবার হচ্ছে হচ্ছে বলেও কাজ হয়নি। অবশেষে সাংবাদিক বাইদের লেখালেখিতে আমরা দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেলাম। এ জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা।





