নরসিংদীর পলাশে ফারদিন হাসান দিপ্ত (২০) নামে এক সাংবাদিককে রাস্তা থেকে ডেকে এনে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে জাহিদ হাসান নামে এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৩ মার্চ) দুপুরে পলাশ উপজেলা পরিষদের নিমার্ণাধীন একটি ভবনের ভেতর এই মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে সাংবাদিক ফারদিন হাসান দিপ্তর মা আফিয়া বেগম পলাশ থানায় ওই কাউন্সিলর ও অজ্ঞাত আরো তিন থেকে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
অভিযুক্ত কাউন্সিলর উপজেলার দড়িহাওলা পাড়া গ্রামের মরহুম শামছুল হকের ছেলে ও ঘোড়াশাল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর। আর ফারদিন হাসান দিপ্ত একই গ্রামের প্রবাসী নূর মোহাম্মদের ছেলে। তিনি দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার পলাশ উপজেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য।
ফারদির হাসান দিপ্ত জানান, দুপুর ১টার দিকে উপজেলা পরিষদের পুকুর পাড়ের সামনে রাস্তায় এক পরিচিত ব্যক্তির সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। পাশের একটি নিমার্ণাধীন ভবন থেকে জাহিদ কমিশনার দু’জন লোক পাঠিয়ে তাকে ডেকে নিতে বলেন। এ সময় দিপ্ত তাদের একটু পরে দেখা করছে বললে কমিশনার ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে জোরপূর্বক নিমার্ণাধীন ভবনের ভেতর তুলে নেন। সেখানে কোনো কথা বুঝে উঠার আগেই কমিশনার তাকে থাপ্পর-কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। একপর্যায়ে ভবনের ভেতর নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত বেলচা দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। পরে বেয়াদবি করার কথা বলে পায়ে ধরিয়ে মাফ নেয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ সময় আহত ফারদিন হাসন দিপ্ত অচেতন হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযুক্ত জাহিদ হাসান বলেন, ডেকে আনার পর সে আমার সাথে বেয়াদবি করায় তাকে শাসন করা হয়।
পরে নিন্দা জানিয়েছেন পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাব ও উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংবাদিকরা। অভিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিও জানান তারা।
পলাশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, ভুক্তভোগীর মা কাউন্সিলর জাহিদ হাসান ও অজ্ঞাত আরো তিন থেকে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।





