ভোলার লালমোহনে সরকারি আবাসনের ঘর ভাঙারি মালামাল হিসেবে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার রহম আলীর বাড়িসংলগ্ন ওই সরকারি ঘরটি ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন একই এলাকার মনির হোসেন ডাকুয়া।
জানা যায়, ভূমিহীনদের জন্য ২০১৮ সালের দিকে এসব ঘর নির্মাণ করা হয়। অভিযুক্ত মনির নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পরও প্রতারণা করে ওই ঘরটি হাতিয়ে নেন। সম্প্রতি ওই সরকারি ঘরটি নতুন বাজার এলাকার কাশেমের ছেলে আইসক্রিম বিক্রেতা শাহিনের কাছে ৩০ হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি করে দেন। এরপর শাহিন ওই ঘরের মালামাল ভেঙে নিয়ে ভাঙারি মালামাল হিসেবে বিক্রি করে দেন।
সরকারি ঘর কেনা শাহিনের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার বাবা কাশেমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, মনির ডাকুয়া ঘরটি ৩০ হাজার টাকায় তার ছেলের কাছে বিক্রি করেছেন। এরপর আমার ছেলে ঘরটি ভেঙে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে।
সরকারি ঘর বিক্রয়কারী মনির হোসেন ডাকুয়ার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘর বিক্রি করিনি। তাদের জন্য তখন ঘরটি বরাদ্দ করে রেখেছি। এখন তাদেরকে ঘরটি বুঝিয়ে দিয়েছি। সরকারি ঘর ভেঙে নেয়া যায় কি না জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, নিয়ম মেনে অনেক কিছুই করা যায় না। আপনারা চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করেন।
লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া জানান, এমন ঘটনা তার জানা নেই। কেউ যদি এ ধরনের কাজ করে থাকে তা অবশ্যই অন্যায়।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনামিকা নজরুল বলেন, বিষয়টি জেনে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
লালমোহনে সরকারি আবাসনের ঘর ভাঙাড়ি মালামাল হিসেবে বিক্রি!
ভোলার লালমোহনে সরকারি আবাসনের ঘর ভাঙারি মালামাল হিসেবে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার রহম আলীর বাড়িসংলগ্ন ওই সরকারি ঘরটি ৩০...





