প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নামে গুজব ও মিথ্যা তথ্যা ছড়ানোর অভিযোগে রংপুর সাইবার আদালতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল।

এতে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে টিটো রহমান এবং নাজমুস সাকিবসহ চারজনের নাম উল্লেখ ও ৮/১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা ‘নাগরিক’ নামের একটি ফেসবুক টিভির টকশোতে এ গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার (৭ মে) বিকেলে আদালতের বিচারক মামলাটির আবেদন আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

রংপুর সাইবার ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটির রুহুল আমীন জানান, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে টিটো রহমান, নাজমুস সাকিব, ইব্রাহীম আলী ও আনিস মিয়াসহ অজ্ঞাত ৮ থেকে ১০ জন বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গুজব, আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ, মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও রাষ্ট্রবিরোধী তথ্য বারবার প্রচার করছে। শুধু প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার নয়; তার আত্মীয়-স্বজন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিরুদ্ধেও বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে আসামিরা। এমনকি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের নিয়েও প্রতিনিয়ত গুজব ছড়াচ্ছে তারা। এই অভিযোগে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল সাইবার আদালতে মামলার আবেদন করেছেন। আদালতের বিচারক ড. আব্দুল মজিদ মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডি পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

সাইবার আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় আবেদিত আসামি টিটো রহমান রাজধানীর জিগাতলা এলাকার মৃত ডা: মতিনুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে কানাডা প্রবাসী। ‘নাগরিক টিভি’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিজের পরিচয় দেন তিনি। আর নাজমুস সাকিব সবুজবাগ এলাকার জলিলুর আজমের ছেলে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নাজমুস সাকিব নিজের পরিচয় দেন নাগরিক টিভির বার্তা সম্পাদক হিসেবে।

মামলার বাদি তুষার কান্তি মন্ডল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে যারা কটূক্তি করে ইউটিউবে লাইভ করেছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আমি দ্রুত তাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানাই।’