জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলার পৌরসভাসহ আট ইউনিয়নের প্রায় প্রত্যেক গ্রামেই গবাদি পশুর মধ্যে এ রোগ দেখা দিয়েছে।
এলাকার কৃষক পরিবার ও গরু খামারিদের মধ্যে লাম্পি স্কিন রোগ নিয়ে চরম হতাশা ও আতঙ্ক দেখা দেয়।
এলাকা পরিদর্শনে জানা গেছে, উপজেলার চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের গুজিমারী পরিত্যাক্ত রেল লাইনের বাসিন্দা অতি গরীব ঝড়শেখের দুটি গরুর মধ্যে একটি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়। গরুটির সারা শরীরে বড় বড় চাকা চাকা ফোড়া বের হয়েছে। প্রচন্ড ব্যথায় ছটফট করছে। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে বলে জানান ঝড়শেখ।
বিষয়টি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানকে জানানো হলে তিনি দলবলসহ সেখানে গমন করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে এসেছেন। বাহাদুরাবাদ ইউনিয়নের সর্দারপাড়া গ্রামের মৎস্যজীবী সুরুজ্জামান, পৌরসভার বানিয়ানির চর মধ্যপাড়া গ্রামের ফুলভান বেগম, একই গ্রামের মুগল মিয়ার গবাদি পশু লাম্পি স্কিন রোগ আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত উপজেলার সাড়ে ৫০০ গবাদি পশু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং সাত আটটি গরু মারা গেছে।
তিনি আরো জানান, গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন রোগে নিয়ন্ত্রণে প্রাণীসম্পদ বিভাগ ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল বিভিন্ন স্থানে ফ্রি মেডিক্যাল টিম স্থাপনসহ অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে।





