বরগুনার তালতলীতে রেশমা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের দাবি, রেশমাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার স্বামী ও স্বজনরা। রোববার সকালে তালতলী থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ছোটবগী ইউনিয়নের ছিলবারতলী এলাকার বাসিন্দা রেশমার বাবা সেরাজ মোল্লা জানান, সাত মাস আগে পারিবারিকভাবে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই জামাই সুমন যৌতুকের জন্য তার মেয়েকে নির্যাতন করতে শুরু করে। কিছুদিন আগে ব্যবসা করার জন্য পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে সুমন। এরপর রেশমা তার মায়ের কাছে টাকার কথা বলতে বাড়িতে আসে। শনিবার রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করে জামাই সুমন ও তার এক বন্ধু আল আমিন এসে রেশমাকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়। রাত ১০টার দিকে খবর আসে রেশমা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। সংবাদ পেয়েই তারা রেশমার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান তার মেয়েকে মাটিতে শুইয়ে রাখা হয়েছে।
তালতলী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম খান জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালতলীতে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা
বরগুনার তালতলীতে রেশমা আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃতের পরিবারের দাবি, রেশমাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তার স্বামী ও স্বজনরা।...





