যশোরের চৌগাছায় জনবল সঙ্কটে খুঁড়িয়ে চলছে মৎস্য অফিসের কার্যক্রম। ছয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্থলে কর্মরত আছেন মাত্র একজন। ফলে কাক্সিক্ষত সেবা দিতে পারছে না সরকারের এ দফতরটি। জনবল সঙ্কট থাকায় সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকাবাসী। এ দিকে এ দফতরের নিজস্ব কোনো ভবন না থাকায় কর্মরতদের ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, এ দফতরে একজন জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, একজন মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা, ক্ষেত্র সহকারী, কার্যালয় সহকারী ও কার্যালয় সহায়কের একটি পদ রয়েছে। এ ছয়টি পদের মধ্যে কার্যালয়টিতে কর্মরত আছেন একজন জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও একজন কার্যালয় সহায়ক। বাকি চারটি পদে দীর্ঘ দিন লোক না থাকায় উপজেলার মৎস্য চাষিরা কাক্সিক্ষত সেবা না পেয়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
সূত্র আরো জানায়, এ উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার ৫৫২ ছোট বড় পুকুর রয়েছে, যার আয়তন ২২ হাজার ১০ হেক্টর। যেখান থেকে প্রতি বছর মাছ উৎপাদন হয় ১ হাজার ৬৯৩.৬৫ মেট্রিক টন। সাতটি সরকারি জলাশয় ও ২৫টি খাল রয়েছে যার আয়তন ১০০ হেক্টর, মাছ উৎপাদন হয় ৬৩২০.২৩ মেট্রিক টন।
এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হরিদাস কুমার দেবনাথ বলেন, এ কার্যালয়ে জনবল না থাকায় কাক্সিক্ষত সেবা দেয়া যাচ্ছে না। তা ছাড়া কার্যালয়ের কাজের পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে অনেক কাজ রয়েছে। সব মিলিয়ে কোনো মতে প্রতিদিনের কাজ শেষ করা ব্যাপক কষ্ট হয়ে যায়।
যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ বলেন, জনবল ও নিজস্ব ভবনের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব কম সময়ের মধ্যে আমরা নিজস্ব ভবন ও কিছু হলেও জনবল পাবো।





