কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় হতদরিদ্র বৃদ্ধা ফজিলা তার বসবাসের ঘরটি সংস্কার কিংবা নতুন একটি ঘর তৈরি করে দেয়ার জন্য সরকার ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি। গত কয়েকদিনের মুষলধারে বৃষ্টি অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় তার জন্য। ওই বৃষ্টির পানিতে তার ঘরের বিছানাপত্রসহ সবকিছুই ভিজে একাকার হয়ে যায়। রোদ-বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই ভাঙা চালার খুপরি ঘরে দিন কাটছে ফজিলা খাতুনের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পুমদি ইউনিয়নের বর্শিকুড়া গ্রামে ফজিলার বাড়ি। ফজিলার স্বামী সুরুজ মিয়া দীর্ঘ দিন আগেই তাকে ছেড়ে অন্য জায়গায় বিয়ে করে বউ নিয়ে সংসার করছেন। গর্ভে জন্ম নেয়া একমাত্র ছেলেও মাকে ছেড়ে বউ-সন্তান নিয়ে অন্য স্থানে ব্যস্ত রয়েছে।
সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পুরনো টিনের একটি ভাঙা চালা আর বেড়ায় আবদ্ধ খুপরি ঘরের কোণে বসে রয়েছেন বৃদ্ধা ফজিলা। তার ঘরের বিছানাপত্রসহ সবকিছুই বৃষ্টির পানিতে ভেজা। ফজিলার এক প্রতিবেশীর সাথে কথা বলে জানা যায়, স্বামী ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকেই দীর্ঘ দিন ধরে ফজিলা খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন। বৃষ্টি এলেই ভাঙা ঘরে বসে শুধু কান্নাকাটি করে আল্লাহর কাছে দু’হাত তুলে মুনাজাত করেন একটি ঘরের জন্য। একটি নতুন ঘর হলে শেষ বয়সে মরেও শান্তি পেতেন বলে জানান তিনি।
এ ব্যাপারে পুমদি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খাইয়ুম বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে সবেমাত্র জেনেছি। তাই কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।