পটুয়াখালীর দশমিনায় বিএনপি নেতাকর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষে ২৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ২০০ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার রাতে সরকারি কাজে বাধা প্রদান করায় এসআই মেহেদী এই মামলাটি করেন।
দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলমান রয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানের নামে বিএনপি নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হওয়ায় পুলিশ তাদের চলে যেতে বলে। তখন বাক-বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এ সময় পুলিশের মোটরসাইকেলসহ মোট চারটি মোটরসাইকেল ও একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে তারা।
এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: শাহআলম শানু বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি পালন করতে শহরের খানকার মাঠ এলাকা থেকে মিছিল বের হয়। মিছিলটি দশমিনা আদালতের সামনে পৌঁছলে এসআই মেহেদীর নেতৃত্বে পুলিশ বাধা দেয়। হাজার হাজার বিএনপির নেতাকর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে যায়। পরে কোনো ঝামেলা ছাড়াই বাধা অতিক্রম করে আমাদের মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়। পরে মিছিলটি পূজা খোলা এলাকায় পৌঁছলে পেছনের দিক থেকে এসে মিছিলের ওপর হামলা চালায় পুলিশ। আমি নেতাকর্মীদের শান্ত করেছি। তবে পুলিশের বেপরোয়া মারধরে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরাও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
তিনি আরো বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের হামলায় আহত হয়েছে তাতী দলের ইব্রাহিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সায়াদ রনি, আবদুর রহিম, আক্কাস, আবু তাহের, সুজন ও শান্তসহ অন্তত ১০জন। আহতদের পটুয়াখালী ও বরিশাল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা এ হামলায় ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
এ বিষয়ে দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করা ও মোটরসাইকেল এবং দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপার্দ করা হয়েছে। আর অন্য আসামিদের গ্রেফতারের পায়তারা চলছে।





