চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জামায়াতের নায়েবে আমির, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আ ন ম শামসুল ইসলাম দীর্ঘ ২ বছর ১৩ দিন পর শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এর আগে বহুবার আদালত থেকে জামিন পেলেও কারাফটক থেকে পুনরায় আটকের কারণে কারামুক্ত হতে পারেননি।
মুক্তির পর তিনি মুঠোফোনে নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘জালিম সরকার আমার বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাবন্দী করে রেখেছিল। মহান আল্লাহর রহমতে এবং দেশবাসীর দোয়ায় আমি মুক্তি পেয়েছি। আমি অবিলম্বে আমিরে জামায়াত ডা: শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ও আমার ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা, সাবেক এমপি আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীসহ সব রাজবন্দীর মুক্তি দাবি করছি।

তিনি বলেন, অবিলম্বে জনগণের তুমুল আন্দোলনের মাধ্যমে এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে ইনশাআল্লাহ। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরও গত শুক্রবার সাবেক এমপি আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীকে রি-এ্যারেস্ট করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বলেন, আমাদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে জালিম সরকার প্রায় ৯০টি মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ইতোপূর্বে তিনবারেরও বেশি জেলগেট থেকে আটক করে তার মুক্তি ঠেকিয়ে দেয়া হয়েছিল। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি একই সাথে কয় দিন আগে আরেক সাবেক এমপি আলহাজ শাহজাহান চৌধুরীকেও পুন:গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।