বগুড়ার কাহালু উপজেলার মুরইল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে চাঁদা দাবি করে পোস্টার সাঁটানোর ঘটনায় জিজ্ঞাবাদের জন্য গত রোববার রাতে তিন ব্যক্তিকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। আটককৃতদের নাম-ঠিকানা দিতে তারা অপারগতা প্রকাশ করেন। সোমবার জেলা পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং গ্রামবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে পুলিশকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার বলেন, আপনারা ভয় বা আতঙ্কিত হবেন না। পুলিশ সবসময় আপনাদের পাশে আছে। অপরাধীরা যেই হোক; অচিরেই তারা গ্রেফতার হবে। এ সময় তার সাথে ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুর রশিদ, সহকারী পুলিশ সুপার নাজরান রউফ, কাহালু থানার ওসি মাহমুদ হাসান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি এম ফিরোজ ওয়াহিদ, স্থানীয় মুরইল ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল জলিল, কাহালু থানার এসআই আনহার, এএসআই কামরুল, মুরইল ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতের আঁধারে চাঁদা চেয়ে কে বা কারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোস্টর লাগিয়ে দেয়। সেসব পোস্টারে লেখা হয় আগামী ৬ অক্টোবরের মধ্যে দাবিকৃত চাঁদার টাকা দেয়া না হলে বাড়ির ছোট ছোট সন্তানকে অপহরণ করা হবে।
কাহালুতে চাঁদা দাবিতে পোস্টারিং : আটক ৩
বগুড়ার কাহালু উপজেলার মুরইল ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে চাঁদা দাবি করে পোস্টার সাঁটানোর ঘটনায় জিজ্ঞাবাদের জন্য গত রোববার রাতে তিন ব্যক্তিকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে...





