বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের ফলে অতি বর্ষণ এবং শিবসা ও কড়ুলিয়া নদীর তীব্র স্রোতের কারণে আলমতলা ও খুদখালী নদীর ভাঙন তীব্র রূপ ধারণ করেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা ভাঙন কবলিত স্থান থেকে যে কোনো মুহূর্তে ওয়াপদার বাঁধ ভেঙে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে গত বুধবার দুপুরে উপজেলার লস্করের আলমতলা ও গড়ইখালীর খুদখালী বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেনপানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনা পওর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ আশরাফুল আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, ইউএনও মুহাম্মদ আল আমিন, পাইকগাছা উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার এবং সংশ্লিষ্ট দুই ইউপি চেয়ারম্যান জি এম আব্দুস ছালাম কেরু ও কে এম আরিফুজ্জামান তুহিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাউবোর ১০-১২ পোল্ডারে শিবসা নদীর ভাঙনে গড়ইখালীর খুদখালীর ৮০০ মিটার বেড়িবাঁধ ও লস্কর ইউনিয়নের আলমতলায় ৭০০ মিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে খুদখালীর ১০০ মিটার এবং আলমতলার ২০০ মিটার খুবই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার আরাফাত জাহান বলেন, এ মুহূর্তে জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন কবলিত অংশে মাটি ও বালুর বস্তা ফেলে ডাম্পিং করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, টেন্ডারের পরে ভাঙন কবলিত স্থান দুটিতে পানির গভীরতা তিন গুণ বৃদ্ধি পায়। এ কারণে পাউবোর নতুন ডিজাইন হাতে না পেলে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।
পরিদর্শনকালে নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পোল্ডার রক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে ডিজাইন অনুযায়ী কাজ করার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, এ সময়ের মধ্যে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু মোবাইলফোনে জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবকে জানানোর পর তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।