বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ‘আমরা রক্ত দিতে শিখেছি, জেলখানায় যেতে শিখেছি, কোর্টে হাজিরা দিতে শিখেছি। তাই আমাদের ধমক দিয়ে কোনো লাভ হবে না।’
রোববার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় খাগড়াছড়ি শহরের কলাবাগান এলাকার বৈঠক বাগানে অনুষ্ঠিত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং একদফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ ওয়াদুদ ভূইয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ সম্পৃক্ত হচ্ছে। ২৮ অক্টোবর বিজয়ের পতাকা নিয়েই বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘরে ফিরবে। বাংলাদেশে আর অগণতান্ত্রিক সরকারের অধীনে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো ভোট হবে না। নিশিরাতে মরা মানুষের ভোটে নির্বাচিত অবৈধ সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যদি ভাবে আবারো কৌশলে বিএনপিকে নির্বাচনে নিয়ে আসবে, আবারো কৌশল করে ২০১৮ সালের মতো দিনের ভোট রাতে করবে, তা আর হবে না।’
সভাপতির বক্তব্যে ওয়াদুদ ভূইয়া ২৮ অক্টোবরের ঢাকায় অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে জেলার সকল নেতাকর্মীকে লুঙ্গি-গামছা নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রকে পাকাপোক্ত করার জন্য সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এনেছেন। সেই নেত্রী আজ অসুস্থ অবস্থায় বন্দি জীবন-যাপন করছেন। মুক্তিযুদ্ধের মূল স্বপক্ষের দল হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।’
সাংগঠনিক সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার, সহ-সভাপতি প্রবীন চন্দ্র চাকমা, আবু ইউসুফ চৌধুরী, হাফেজ আহাম্মদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, অনিমেষ চাকমা রিংকু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সভাপতি মাহাবুব আলম সবুজ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি কুহেলী দেওয়ান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল নোমান সাগর, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম ও তাঁতী দলের আহ্বায়ক আলমগীর মিয়াসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা।





