পটুয়াখালীর দশমিনায় মৌসুমী আক্তার (৩২) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহাগকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
সোমবার ৬ নভেম্বর পটুয়াখালী নারী ও শিশু নিযার্তন দমন ট্রাইব্যুনালে মৃত মৌসুমী আক্তার দুলুর ভাই মনিরুজ্জামান বিপ্লব মামলাটি করেন। আদালত সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলাটিকে এজাহার হিসাবে গ্রহণ করার জন্য আদেশ প্রদান করেন।
মৌসুমী আক্তার উপজেলা বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহাগের দ্বিতীয় স্ত্রী। এ ঘটনায় পরিবার দাবি করেছেন, চেয়ারম্যান তার স্ত্রীকে হত্যা করেছেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয় আসামি আসাদুজ্জামান সোহাগ একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি। তার চাচা আব্দুল আজিজ মিয়া দশমিনা উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। সে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তিন সন্তানের জননী মৌসুমী আক্তার দুলুকে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ করে। নেশাগ্রস্থ অবস্থায় সে প্রায়ই মৃত স্ত্রী মৌসুমীর ওপরে যৌতুকের দাবিতে অমানষিক নির্যাতন করতো।
উল্লেখ্য গত ৫ নভেম্বর রোবার দুপুরে দশমিনা উপজেলা সদরের নলখোলায় চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহাগের ভাড়া বাসা থেকে তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তার দুলুর লাশ উদ্ধার করেন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহাগ নিজেই। এরপর থেকে পরিবারের পক্ষথেকে দাবি করা হচ্ছে মৌসুমী আক্তার দুলুকে তার স্বাম আসাদুজ্জামান সোহাগ চেয়ারম্যান নিশংসভাবে হত্যা করেছে।





