নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শাতে স্বশরীরের আদালতে হাজির হয়েছিলেন নির্বাচনী এলাকা ৯১ মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচনী এলাকা-৯১, মাগুরা-১ এর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সত্যব্রত শিকদারের আদালতে হাজির হন সাকিব।

এ সময় সাকিব আল হাসানের পক্ষে মাগুরা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সংগ্রাম জানান, ‘গত ২৯-১১-২৩ইং তারিখে কামারখালীর গড়াই সেতুতে যে ঘটনা ঘটেছে তা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচি ছিল না। এমনকি সকিব আল হাসানও কাউকে সেখানে সমবেত হতে বলেননি। মাগুরা-১ আসনের নৌকা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী যেহেতু একজন তারকা খেলোয়ার, তাই তার আগমনের সংবাদে তার ভক্তরা স্বপ্রণোদিত হয়ে সেদিন জমায়েত হয়েছি। তবে তিনি যেহেতু নির্বাচনী প্রার্থী তাই আমরা আগামীতে নির্বাচনী সকল আচার-আচরণ মেনে চলব।

আদালত থেকে বের হয়ে সাকিব আল হাসান বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমি নির্বাচন করছি, ভুল-ত্রুটি আমার হতেই পারে, সেগুলো সংশোধন করা আমার দায়িত্ব। নিয়ম-কানুন জানব, বুঝব, তারপরেও যদি ভুল হয় তাহলে আমার দোষ হতে পারে। তবে সেদিন যা হয়েছে তা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত একটি বিষয়।’

আচরণবিধি ভঙের নোটিশে বলা হয়- ‘মাগুরা-১ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জনাব সাকিব আল হাসান, গত ২৯ নভেম্বর বুধবার ঢাকা থেকে মাগুরা আগমনের সময় কামারখালী এলাকা বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে শোডাউন করে মাগুরা শহরে প্রবেশ করেন এবং নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তাতে জনগণের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। ইহার দ্বারা আপনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। এ ব্যাপারে আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তদমর্মে ০১-১২-২৩ ইং তারিখ শুক্রবার বিকাল ৩টায় আপনি নোটিশ প্রদানকারী কর্মকর্তার দপ্তরে স্বশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখা প্রদান করতে আপনাকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।’