বনের পাশেই ইটভাটা। তাও আবার নিবন্ধনহীন। জিগজ্যাগ পদ্ধতিতে স্থাপন করা এসব ভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার কথা কয়লা। লোক দেখানো কিছু কয়লা ভাটার পাশে রেখে গোপনে পোড়ানো হচ্ছে বনের কাঠ। এ রকম ৩২টি নিবন্ধনহীন ইটভাটা রয়েছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায়। প্রত্যেকটিতেই পোড়ানো হয় কাঠ। প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে জেল-জরিমানা করলেও ঠেকানো যাচ্ছে না।
ইটভাটা মালিক সমিতির দেয়া তথ্যমতে, ঘাটাইলে ইটভাটার সংখ্যা ৪৫টি। এর মধ্যে নিবন্ধন রয়েছে মাত্র ১৩টির। অবৈধ ভাটার তালিকায় ৩২টি। আবার অধিকাংশ ভাটার নেই পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সারা দিন সংরক্ষিত বনের বিভিন্ন স্থান থেকে কাঠ সংগ্রহ করে রাতের আঁধারে ইটভাটায় নেয়া হয়। ভাটায় জ্বালানি কাঠ বিক্রির জন্য উপজেলার গারোবাজার এলাকায় প্রতিদিন বিকেলে বসে লাকড়ির বাজার। সরেজমিন এ বাজারে গিয়ে কাঠভর্তি ভ্যান দেখা গেছে।
এদিকে ভাটামালিকদের দাবি, কয়লার দাম বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়েই কাঠ দিয়ে ইট পোড়াতে হচ্ছে।
বন বিভাগের ধলাপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেননি এবং কোনো তথ্য তার কাছে নেই। তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদফতরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন বলেন, কাঠ দিয়ে ইট পোড়ানো সম্পূর্ণ অবৈধ। সম্প্রতি পরিবেশ অধিদফতর ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় ঘাটাইলের বিভিন্ন ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নিয়ম অমান্যকারী ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কিশোর কুমার দাস বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঘাটাইলে বনের কাঠ যাচ্ছে ইটভাটায়
বনের পাশেই ইটভাটা। তাও আবার নিবন্ধনহীন। জিগজ্যাগ পদ্ধতিতে স্থাপন করা এসব ভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করার কথা কয়লা। লোক দেখানো কিছু কয়লা ভাটার পাশে রেখে...





