‘আল্লাহ বাচাঁয় রাখছেন মনে হয় ভোট দেওয়ার জন্য। এত সুন্দর ভোট আগে দেখিনি’ বলে অনুভূতি প্রকাশ করেছেন ১৫ সন্তানের জননী শতবর্ষী কাঞ্চন বেগম।
আজ রোববার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলার যোগারদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভোট দিতে এসে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
একই ইউনিয়নের সোনাপুর ইউনিয়নের চান্দাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন- ১১০ বছর বয়সী মোফাজ্জেল মাতুব্বর।
তিনি বলেন, ‘এটাই হয়তো আমার জীবনের শেষ ভোট। তাই কষ্ট হলেও ভোট দিতে এসেছি। চোখে কম দেখি। তারপরও ভোটের পরিবেশ ভালো মনে হইতেছে।’
ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের বেশিরভাগ কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ভোটার উপস্থিত তুলনামূলক কম। তবে কিছু কেন্দ্রে নারী ভোটারের লাইন ছিল চোখে পড়ার মতো। কোথাও কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে।
নির্বাচনের পরিবেশ ভালো থাকায় পা-না থাকা সত্বেও নির্ভয়ে হুইলচেয়ারে চেপে সকাল সকাল ভোট দিতে এসেছেন প্রতিবন্ধী মো: সুজাত মাতুব্বর (৪০)। তিনি ইউসুফদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে তিনি বলেন, এক বেলোটে ভোট তাই লম্বা লাইনের ঝামেলা নেই। খুব সহজেই ভোট দিয়েছি।
সকালে সাড়ে ৮টার দিকে নৌকার প্রার্থী শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী গট্টি ইউনিয়নের রসুলপুর কেন্দ্রে ভোট দেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী বসুন্ধরা গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া ভোট দেন তালমা ইউনিয়নের কদমতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।
এ আসনে ১১৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট তিন লাখ সাত হাজার ৫৬৭ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা এক লাখ ৫৯ হাজার ৭৮৮ এবং নারী ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯।
সালথার যদুনন্দী ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া সঃপ্রাঃবিঃ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, মনোরম পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটারদের ভোট প্রদানে সময় বেশি লাগছে। এজন্য নারীদের লম্বা লাইন চোখে পড়ছে। তবে পুরুষ ভোটার উপস্থিতিও ভালোই।





