গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার কান্দী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড গৌতমেরাবাদ গ্রামের সুদেব বাড়ৈর বিরুদ্ধে ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের জালিয়াতি ও বিক্রি করা জমির মিউটেশনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
কিছু দিন আগে মৃত হারান বাড়ৈর ছেলে কান্দী ইউনিয়নের হরিচাঁদ বাড়ৈ (৫৫) তার ক্রয়কৃত জমি মিউটেশন করার জন্য কোটালীপাড়া ভূমি অফিসে যান। ভূমি অফিসে মিউটেশনের জন্য কাগজ পেশ করলে তিনি দেখতে পান তার ক্রয়কৃত জমির মিউটেশন হয়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, যারা তার কাছে জমি বিক্রি করেছেন তাদেরই এক ভাই সুদেব বাড়ৈ ১নং ওয়ার্ডের ভোটার হয়ে ৩নং ওয়ার্ড থেকে তিন ভাই থাকা সত্ত্বেও একক ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দিয়ে ওই জমি মিউটেশন করিয়ে নিয়েছেন।
ক্রয়কৃত জমির মালিক হরিচাঁদ বাড়ৈ বলেন, উপেন্দ্র চন্দ্র বাড়ৈর তিন ছেলের কাছ থেকে এই জমি তিনি ক্রয় করেছেন। এই জমি সুদেপ বাড়ৈ কেন এবং কিভাবে মিউটেশন করেছেন তা তিনি বলতে পারেন না। তার প্রশ্ন- সুদেপ কিভাবে একক ওয়ারিশ সার্টিফিকেট পেলেন? এখন তিনি সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মুুরব্বিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
এ বিষয়ে সুদেবের কাছে জানতে চাইলে সুদেব কোনো উত্তর দিতে রাজি হননি। ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার রঞ্জিত মল্লিক বলেন, সুদেব কিভাবে ওয়ারিশ সার্টিফিকেট পেয়েছেন তা আমরা জানি না। তবে দেখতেছি এ বিষয়টি কিভাবে সুরাহা করা যায়। ১নং ওয়ার্ড মেম্বার রিপন হাওলাদার বলেন, ১নং ওয়ার্ডের ভোটার হয়ে ৩ নং ওয়ার্ডের ওয়ারিশ সার্টিফিকেট কিভাবে পেল আমি জানি না এবং বিক্রি করা জমি নিজ নামে এভাবে মিউটেশন করা নিশ্চয়ই দুঃখজনক।
কান্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তুষার মধুর এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কেউ ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দেইনি। তাহলে বিষয়টির সুরাহা করে দিচ্ছেন না কেন- এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি চেয়ারম্যান তুষার মধু।





