এত শিক্ষার্থী যখন সাত একরের ছোট ক্যাম্পাসে ঘুরে বেড়ায় তখন আমাদের খারাপ লাগে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা খোলা মাঠে খেলাধুলা করবে, আড্ডা দেবে। কিন্তু সেটি এখানে হয় না। এর জন্য আমরা নতুন ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত করার চেষ্টা করছি। সবার আগে যেন দ্রুত শিক্ষার্থী হল করা যায় তার ওপর নজর দেবো।
ভিসি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমার সন্তান। তারাই আমাকে দেখে রাখবে। খুব শিগগিরই আমরা ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেবো। আমি ট্রেজারার মহোদয়কে বলেছি প্রতিটি বিভাগ থেকে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের তালিকা করতে। তাদের বৃত্তি দেয়ার ব্যবস্থা করব। এ ছাড়া ক্যান্টিনের খাবারের মান বৃদ্ধিতে কাজ করব।
গতকাল রোববার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুধু একটি রাষ্ট্র নয়। বাংলাদেশ এখন শক্তিশালী ভূরাজনৈতিক একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। ভূরাজনীতির কারণে বাংলাদেশ ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আবার চীনের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। তেমনই আমেরিকার কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকা আমাদের দেশের সেন্টমার্টিন চেয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মাথা নত করেননি। তার নেতৃত্বে সফল নির্বাচনের পর বাইডেন সাহেবও আমাদের নির্বাচনের স্বীকৃতি দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এখনো সক্রিয়। এগুলো প্রতিহত করতে হবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের যে ঘটনা যদিও বিচ্ছিন্ন, তবুও তা কাক্সিক্ষত নয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতা যখন তার জুনিয়র এক ছোট ভাইয়ের গায়ে হাত দেয়, তখন আমরা বিব্রত হই। ছাত্রলীগের যারা আছে তাদের উদ্দেশ্যে বলব আমরা যেন জ্ঞান দ্বারা পরিচালিত হই।





