চকরিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান শহীদ দিবসের রাতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করতে গিয়ে উপস্থাপকের স্পিকার কেড়ে নেয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের পালটাপালটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পৃথকভাবে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এরোস্টডাইন রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাবেক সাংসদ সদস্য জাফর আলম অভিযোগ করে বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারো প্রশাসনের লোকজনসহ ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শন্তিপূর্ণভাবে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। একটি মহল এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নতা সৃষ্টির লক্ষে পরিকল্পিতভাবে ও দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টির জন্য এ ধরনের অপবাদ দেয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবী করেন এবং দলের সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানান।

এদিকে, দুপুর ২টার দিকে পৃথক সংবাদ সম্মেলনে আ’লীগের একটি অংশ ও বর্তমান সাংসদের অনুসারী ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী অভিযোগ করে বলেন, একুশে রাতে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য কালে উপস্থাপকের মনাইকের স্পিকার কেড়ে নেন সাবেক এমপি জাফর আলম। সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য উপজেলা চেয়ারম্যান বলে অনুসারীদের দিয় এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একুশের প্রথম প্রহর ১২টার ৩ মিনিট হলেও বক্তব্য শেষ না হওয়ায় লোকজন শহীদ মিনারের ফুল দিতে বিলম্ব হয়।

এ সময় চকরিয়া থানা পুলিশের সহায়তয় শহীদ মিনারে পুস্পার্ঘ্য অর্পণ করে চকরিয়া-পেকুয়ার সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল অব. সৈয়দ মোহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ, থানা প্রশাসন, চকরিয়া পৌরসভা, উপজেলা প্রেসক্লাব, উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, পৌরসভার মেয়র আলমগীর, আ’লীগের নেতা গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

এসময় চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, অনুষ্ঠান পরিচালনায় দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে স্পিকার কেড়ে নেয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান।