কুলাউড়া উপজেলার লস্করপুর গ্রামে বিয়ের আট মাসের মাথায় এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী কামরুল ইসলাম ও স্বামীর ভাবী আছমা বেগমকে আটক করেছে। নিহত সেবিনা আক্তার রুলী (১৯) উপজেলার গাজীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের মেয়ে।
নিহত সেবিনা আক্তারের পরিবারের অভিযোগ, গত আট মাস আগে রুলীকে কুলাউড়া পৌর এলাকার মৃত ছত্তার আলীর ছেলে কামরুল ইসলামের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের সময় স্বামীর চাওয়া উপহারের সব দাবি পরিশোধ করা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠান বাবদ ৬-৭ লাখ টাকা খরচ করা হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্বামীর বাড়ির লোকজনের অত্যাচার শুরু হয় রুলীর ওপর। রুলীর ভাইবোন স্বামীর বাড়িতে বোনকে দেখতে এলে তাদেরকেও ভয়ভীতি দেখানো হতো। এক পর্যায়ে কামরুল পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এতে রুলী বাধা দিলে নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়তে থাকে। এ নিয়ে এক মাস আগে সালিস বৈঠকও হয়। গত বৃহস্পতিবার রুলীকে হত্যার পর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়।
কুলাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) কৈশন্য জানান, নিহত গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগে কুলাউড়া থানায় মামলা করা হয়েছে এবং স্বামী ও স্বামীর ভাবীকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কুলাউড়ায় বিয়ের ৮ মাসের মাথায় গৃহবধূকে হত্যা
কুলাউড়া উপজেলার লস্করপুর গ্রামে বিয়ের আট মাসের মাথায় এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী কামরুল ইসলাম ও স্বামীর ভাবী আছমা বেগমকে...





