নওগাঁর মান্দায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী (৩২)।
শনিবার (২৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ভিকটিমের দেয়া তথ্যমতে দ্রুত এক অভিযান চালিয়ে হারুন অর রশিদকে (২৩) এক যুবককে গ্রেফতার করে থানা পুলিশ।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার একটি কলাবাগানে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ সাহাপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, ‘আমি নওগাঁ শহরের একটি ক্লিনিকে আয়ার কাজ করি। কাজের সুবাদে স্বামীকে নিয়ে শহরের দয়ালের মোড়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতাম। পারিবারিক বিষয় নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় কয়েক মাস আগে স্বামীর সাথে তার ছড়াছাড়ি হয়েছে।’
ভুক্তভোগী ওই নারী আরো বলেন, মোবাইলফোনের সূত্র ধরে লুদু নামে মান্দা ফেরিঘাট এলাকার এক ব্যক্তির সাথে তার পরিচয় ঘটে। তিনি বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমাকে ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে আসেন। রাত ৮টার দিকে চার্জারভ্যানে আশপাশে ঘুরে একটি কলাবাগানে নিয়ে যান। এরপর হত্যার ভয় দেখিয়ে একে একে আটজন আমাকে ধর্ষণ করেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সুযোগ পেয়ে চিৎকার দিলে রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা এগিয়ে এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। পরে ওইসব লোকজন আমাকে উদ্ধার করে পুলিশের জিম্মায় দেয়।’
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় হারুন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষাসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।





