পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালে শয্যা সঙ্কট হওয়ায় রোগীকে বারান্দার মেঝেতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বমি ও পেটের ব্যথায় অসুস্থ ছেলে মাহিমকে ভর্তি করান মা নাজমিন বেগম। হাসপাতালে শয্যা না থাকায় বারান্দার মেঝেতে বিছানা দিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে মাহিমকে। বারান্দা মেঝেতে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে রোগীকে।
সূত্রে প্রকাশ যে, শয্যা সঙ্কটের পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় বেশির ভাগ রোগীকে পাঠানো হচ্ছে রংপুর ও দিনাজপুর মেডিক্যালে। বিগত পাঁচ বছর ধরে নির্মাণাধীন হাসপাতালের ২৫০ শয্যায় উন্নতি করণের চলা কাজ এখনো শেষ হয়নি।
পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালের সিভিল সার্জন মোস্তফা জামান চৌধুরী বলেন, ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ ভবন নির্মাণে কিছু কাজ বাকি থাকায় এখনো বুঝে নেয়া হয়নি।
পঞ্চগড় গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান সরকার বলেন, হাসপাতাল নির্মাণের কাজ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভবন বুঝে নিতে চিঠিও দেয়া হয়েছে। পরে তারা কিছু কাজের চাহিদা দিয়েছিলেন। সেগুলো সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন ভবনটি হস্তান্তরের অপেক্ষায় আছে।
হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন শিশু, নারী ও পুরুষ মিলে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৫৫০ থেকে ৬৫০ জন এবং রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন প্রায় ২৩০ থেকে ২৬০ জন। আন্তঃবিভাগে ভর্তি থাকে ২০০ থেকে ২৮৬ জন। সবসময়ই ১০০ থেকে ১৮০ জন রোগীকে মেঝেতে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালে শয্যা সঙ্কট মেঝেতে চিকিৎসা
পঞ্চগড় আধুনিক হাসপাতালে শয্যা সঙ্কট হওয়ায় রোগীকে বারান্দার মেঝেতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বমি ও পেটের ব্যথায় অসুস্থ ছেলে মাহিমকে ভর্তি করান মা নাজমিন বেগম। হাসপাতালে...





