পটুয়াখালীর দশমিনায় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির স্বাক্ষর জাল করে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে। ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও সহকারী শিক্ষকদের স্বাক্ষর জাল করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক তাহেরুল বশির ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সরোয়ার কামাল খোকন গোপনে ওই পদে সহকারী শিক্ষক কবির হোসেনকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন।
গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর নিয়োগ দেয়া হলেও কবির হোসেন তার হাজিরা খাতায় সহকারী শিক্ষকের স্বাক্ষর করে আসছেন। চলতি বছরের মে মাস থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে বেতন পান তিনি। জুলাই মাসের শুরু থেকে সহকারী প্রধান শিক্ষকের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করছেন ওই শিক্ষক।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি খলিলুর রহমান ও হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদের স্বাক্ষর জাল জালিয়াতী করে অবৈধভাবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও রেজুলেশন ছাড়া প্রধান শিক্ষক তাহেরুল বশির ও সভাপতি সরোয়ার কামাল খোকন গোপনে এ নিয়োগ দেন। এমনকি ভুয়া রেজুলেশন করে সোনালী ব্যাংকে জমা দিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতনও পাস করানো হয়। আমরা এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবি জানাই।
এ অভিযোগের বিষয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন বলেন, বৈধভাবে আমার নিয়োগ হয়েছে। আমি সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতনভাতা পেয়ে আসছি।
প্রধান শিক্ষক তাহেরুল বশির বলেন, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক কবির হোসেনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং সকল ডকুমেন্ট আমার কাছে জমা আছে।
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম মিয়া বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।