কক্সবাজারে ফের অনুপ্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা। মিয়ানমার থেকে নৌকা বোঝাই করে আসছে এসব রোহিঙ্গা।
বুধবার (৭ আগস্ট) ভোররাতের জোয়ারে পাঁচ রোহিঙ্গার লাশ টেকনাফের উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসে।
এ নিয়ে দুই দিনে ১৯ রোহিঙ্গার লাশ উদ্ধার হলো। এর মধ্যে নয়জন শিশু, সাতজন নারী ও তিনজন পুরুষ।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন, মায়ানমার থেকে নৌকায় সাগরপথে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে নৌ দুর্ঘটনায় পড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, নৌকাযোগে টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা। তাদের মধ্যে অনেকেই কৌশলে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঢুকে পড়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আদনান চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সাবরাং ইউনিয়নের খুরেরমুখ থেকে দুই শিশু ও নোয়াখালীয়াপাড়া থেকে এক পুরুষের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া বুধবার বেলা ১১টার দিকে সাবরাং ইউনিয়নের বাহারছড়াঘাটের সৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসে আরো দুই শিশুর লাশ। তবে তাদের কারো নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ইউএনও আরো জানান, মঙ্গলবার ও বুধবার মোট ১৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, গত তিন দিনে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে।
বুধবার দুপুরে কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে টহল জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তায় কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছে কোস্ট গার্ড।
যেকোনো অবৈধ কার্যক্রম ঠেকাতে টেকনাফ সদর, শাহপরীর দ্বীপ, বাহারছড়া ও সেন্টমার্টিনসহ উপকূলীয় অঞ্চলে টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান কোস্ট গার্ডের এ কর্মকর্তা।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ন’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো: মহি উদ্দীন আহমদ ফোন রিসিভ না করায় উপরোক্ত ব্যাপারে বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।





