বন্দুকের গুলির চেয়ে ইন্টারনেটের গুলির শক্তি বেশি তা ছাত্রজনতা দেখিয়ে দিয়েছে, যে কারণে সরকার দেশে ইন্টারনেট পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছিল। এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি গতকাল দুপুরে নরসিংদীর চিনিশপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত স্কুল শিক্ষার্থী তাহমিদের কবর জিয়ারত শেষে এ মন্তব্য করেন। বিএনপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের যে গণতন্ত্র হত্যা করেছে তা আবারো পুনরুদ্ধার করা হবে। আগামীতে দেশ মেধার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। তিনি দেশের মানুষকে অত্যন্ত সরল ও সাধারণ উল্লেখ করে আরো বলেন, দেশের মানুষ অর্থ সম্পদ চায় না, তারা কথা বলতে চায়, মন খুলে কথা বলতে চায়, ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের পছন্দের মানুষকে ভোট দিতে চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেই অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। যার কারণে দেশের মানুষ তাদের বিতাড়িত করেছে।
কবর জিয়ারত শেষে তিনি নিহত তাহমিদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে আর্থিক সহযোগিতা করেন। এর পর তিনি কোটা আন্দোলনে নিহত পলাশের গজারিয়া ইউনিয়নের কলেজ শিক্ষার্থী ইমন ও আমজাদ হোসেনের কবর জিয়ার করে তাদের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এরফান আলী, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা, থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সোহেলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।





