বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মানহানির পাঁচ মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত। জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকীর করা মানহানির পাঁচ মামলায় খালাসের এ রায় দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পৃথক দুই ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে এসব মামলায় খালাস দেন।
অপর দিকে নাইকো, গ্যাটকো, বড়পুকুরিয়া মামলাসহ এখনো প্রায় ৩০টির মতো মামলা রয়ে গেছে বলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানিয়েছেন। তারা বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এখনো মামলা পেন্ডিং আছে সে মামলাগুলো আইনি প্রক্রিয়ায় মোকাবেলা করা হবে। আদালতে যে আইনি পদক্ষে নেয়া দরকার সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। যতদ্রুত সম্ভব এসব মামলা যাতে আইনগতভাবে শেষ করা যায় সেটা করা হবে।
ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো: তোফাজ্জল হোসেন একটি মামলায় এবং অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো: মাহাবুল হক অপর চারটি মামলায় তাকে খালাসের এই রায় দেন।
মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এই চারটি মামলা করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। বাকি একটি মামলার বাদি সাংবাদিক গাজী জহিরুল ইসলাম।
গতকাল মঙ্গলবার মামলাগুলো শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার বাদিরা আদালতে হাজির হননি। চার মামলার বাদি এ বি সিদ্দিক মারা গেছেন। এ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে মামলা থেকে খালাসের আবেদন করেন তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। পরে আদালত তাকে মামলাগুলো থেকে খালাস দেন। পাঁচটি মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার খালাস চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার। সাথে ছিলেন আইনজীবী মো: হাফিজ হারুন অর রশীদ খান মিজান।
আইনজীবী মাসুদ ও আহামেদ তালুকদার বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল তখন আওয়ামী লীগ পরিচয়ে কিছু কুলাঙ্গার যাদের কোনো পরিচয় নেই, তারা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ লোক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য এবং সরকারের ছত্রছায়ায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছিল। এই মামলা দায়ের করার পর দিনের পর দিন এ মামলার বাদিরা আদালতে গরহাজির ছিল।





