দেশের সর্বস্তরে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা বসে আছে। তারা সরকারকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া। গতকাল শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হলে খাগড়াছড়ি জেলা জিয়া পরিষদের সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার গত ১৫ বছরে দেশের শিক্ষাসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। লুটপাট করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করেছে। এখনো ফ্যাসিস্ট পতিত সৈরাচারী সরকার এখনো বসে নেই। এই সরকারকে ব্যর্থ করতে পারলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে না। দেশে নিরপেক্ষ ভোট হবে না। এই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ বিদেশে বসে বসে ষড়যন্ত্র করছে। বর্তমান সরকারকে ব্যর্থ করার জন্য প্রথমে তারা আওয়ামী ঘরাণার কিছু সম্প্রদায়, রিকশাওয়ালা, আওয়ামী লীগের লোকদের আনসারের পোশাক পড়িয়ে আন্দোলনে নামিয়ে ক্যু’ করার চেষ্টা করেছিল। পল্লী বিদ্যুতে কর্মরত আওয়ামী লীগপন্থীদের দ্বারা ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করেছিল। এসব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
খাগড়াছড়ি জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জিয়া পরিষদের খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলাসহ জেলা জিয়া পরিষদ ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত সরকারের আমলে জিয়া পরিষদের সাথে যুক্ত থাকার কারণে বিভিন্নভাবে হয়রানি, চাকরিচ্যুতি এবং শিক্ষকদের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় বদলিসহ মামলা-হামলার স্বীকার হয়েছি। দুর্নীতির আখরা খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগসহ সব ধরনের নিয়োগে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতারা।
প্রধান অতিথি ওয়াদুদ ভূঁইয়া উপস্থিত জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ শিক্ষকদের আশ্বস্ত করে বলেন, আপনাদের আর ভয়ের কারণ নেই। আপনাদের ওপর যদি অন্যায়, জুলুম, অবিচার হয় তাহলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকিয়া জিন্নাত বিথী, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি প্রবীণ চন্দ্র চাকমা, সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার, যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মিন্টু, অনিমেষ চাকমা রিংকু, জেলা যুব দলের সভাপতি মাহবুবুর আলম সবুজসহ সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।





