ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ফেনী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতীকী ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ইশতিয়াক আহমদ শ্রাবনের বাবা নেছার আহমেদ।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক গোলাম মো: বাতেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: ইসমাইল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আরিফুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরিন কান্তা, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা হীরা আক্তার, জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান, বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, হেফাজতের সাধারন সম্পাদক মাওলানা ওমর ফারুক, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য জাহিদুল ইসলাম সৈকত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মুহাইমিন তাজিম, আবদুল কাইয়ুম সোহাগ, আবদুল আজিজ, স্বেচ্ছাসেবক ওসমান গনি রাসেল প্রমুখ অংশ নেন।
ম্যারাথনটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শহরের সালাউদ্দিন মোড়, হাসপাতাল মোড, একাডেমী রোড, মিজান রোড, ট্রাংক রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন বয়সের দৌড়বিদরা উৎসাহের সাথে অংশ নেন। ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সময় বাছাই করা সেরা ১০ জন এর মধ্যে তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম স্থান অধিকার করেন শাহরিয়ার, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন আলী আহমেদ সাগর ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেন সালমান। অপর ৭ জনকে মেডেল দেয়া হয়।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইসমাইল হোসেন জানান, জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা ২০২৫’ এর অংশ হিসেবে প্রতিকী ম্যারাথন কর্মসূচি উদযাপন করা হয়েছে। উৎসব মুখর পরিবেশে এ আয়োজনে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের অগ্রভাগে রেখে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্রসমাজ ও সাধারণ জনগণ স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এই আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে সেই ঐতিহাসিক ঘটনার তাৎপর্য তুলে ধরার এক সচেতন প্রয়াস ম্যারাথন।









