ফেনীতে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি বলেছেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালিয়ে চিরবিদায় নিতে হয়েছে। বিগত ১৫ বছর তার মেয়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমান সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ দিয়েছেন সেই জন্য প্রতিটি ঘরে ঘরে বেগম খালেদা জিয়ার সালাম পৌঁছে দিতে হবে। সবাই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের জন্য তৈরি হয়ে যান। আপনারা ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তুলতে হবে। বিএনপি যেন বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারে।’
সোমবার বিকেলে ট্রাংক রোডে প্রেসক্লাবের সামনে শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভিপি জয়নাল আরো বলেন, ‘বিএনপির প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন চলমান রয়েছে। সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা সজাগ থাকতে হবে কোন অবস্থায় কেউ যেন স্বার্থের বিনিময়ে বিএনপির সদস্য পদ দেয়া না হয়। সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ পেলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এদেশের মানুষ বিএনপির প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। আমাদের মাঝে নারীরা হচ্ছেন অধিকাংশ ভোটার। তাই নারীদের সম্মান ও গুরুত্ব দিতে হবে। মা-বোনদের মাঝে খালেদা জিয়ার সালাম পৌঁছে দিবেন।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব ও জালাল উদ্দিন মজুমদার।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জেলা যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক এম এ খালেক, গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক ও আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সদর উপজেলা আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল ও সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া প্রমুখ।
মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন, জেলা যুবদল আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার ও সদস্য সচিব নঈম উল্যাহ চৌধুরী বরাত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক এস এম কায়সার এলিন, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকের হোসেন রিয়াদ পাটোয়ারী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম দুলাল ও শওকত আলী জুয়েল পাটোয়ারী, ওলামা দলের আহ্বায়ক হাফেজ মিজানুর রহমান, জেলা মহিলা দলের সভাপতি জুলেখা আক্তার ডেইজী, সাধারণ সম্পাদক জয়নব বানু ও সাংগঠনিক সম্পাদক নুর তানজিলা রহমান প্রমুখ।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শোভাযাত্রাটি প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।









