সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং চা বাগানে যুবক ইমাম উদ্দিনকে (৩৮) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে নিহতের পিতা হরমুজ আলী বাদী হয়ে কপিল উদ্দিন লিটনকে প্রধান আসামিসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখ ও ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে নয়জনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতাররা হলেন- জাফলং চা-বাগান এলাকার মনজ্জির আহমদের ছেলে কপিল উদ্দিন লিটন, বসন্ত গোয়ালার ছেলে নিরঞ্জন গোয়ালা, শুধু প্রধানের ছেলে আক্কেল প্রধান, বীরেন ঘাটুয়ার ছেলে বিশ্বজিত, চুনিলাল কর্মকারের ছেলে চপ্পল কর্মকার, হৃদয় মৃধার ছেলে সঞ্জিত মৃধা, বীরেন রায়’র ছেলে কাজল রায়, মঙ্গল রায়ের ছেলে কাজল রায় ও বাবুল কর্মকারের ছেলে সজীব কর্মকার।
মামলা ও গ্রেফতারের বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার মো: তোফায়েল আহমদ বুধবার বিকেল ৪ টার দিকে নয়া দিগন্তকে জানান, জাফলং চা-বাগানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা বাদি হয়ে মামলা করেছেন। যার প্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নয়জনকে গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার রাতে চা বাগানে ইমাম উদ্দিনকে একটি ঘরে আটক করে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের এক পর্যায়ে ইমাম উদ্দিনের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। পরদিন মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকালে জাফলং চা-বাগানের একটি কক্ষ থেকে ইমাম উদ্দিনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ইমাম উদ্দিন উপজেলার মেদি গ্রামের হরমুজ আলীর ছেলে।









