ফেনী শহরের মুক্ত বাজারে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দোকানপাট উচ্ছেদ করে সরকারি ৯ দশমিক ৬০ শতক খাস জমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন।
দীর্ঘদিন বেদখলে থাকা ওই জায়গায় ২৪-এর গণঅভ্যূত্থানে শহীদদের স্মরনীয় করে রাখতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান কাজ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: ইসমাইল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আরিফুল ইসলাম অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার জানান, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে জেলা প্রশাসন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। খাস জমি ও সরকারি জমি উদ্ধারে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: ইসমাইল হোসেন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ববৃন্দরা স্মৃতিস্তম্ভ বিষয় যেকোনো ধরনের গুজবে কেউ যেন কান না দেয় সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, যাদের রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি তাদের নামের উপরে জুলাই স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতি বছর ওই সব শহীদরের স্মরণ করা হবে।
জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আব্দুল হান্নান বলেন, যারা এই দেশের মানুষের মুক্তির জন্য, ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য যারা শহীদ হয়েছে তাদেরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হচ্ছে। তারা ইতিহাসের অংশ। এই স্মৃতিস্তম্ভ শহীদদের যুগ যুগ ধরে স্মরণ রাখবে।
জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম জানান, পর্যায়ক্রমে সরকারি জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্থানে সরকারি, জনহিতকর বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।
এ সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, জামায়াতের আমির মুফতি আব্দুল হান্নান, হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ওমর ফারুক, ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক, ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাইয়ুম সোহাগ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।









