ঢাকার নবাবগঞ্জে খতমে নবুওয়াতবিরোধী অপতৎপরতা বন্ধ এবং কাদিয়ানি গোষ্ঠির অন্যতম সদস্য বরকতুল্লাহর অনুসারীদের দায়ের করা হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ মে ) সকালে নবাবগঞ্জের গালিমপুর সূর্যখালী ঈদগাহ মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিভিন্ন ইসলামপন্থী সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
তারা কাদিয়ানি গোষ্ঠীর নবুওয়াতবিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং বরকতুল্লাহর অনুসারীদের বিরুদ্ধে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’, ‘মুসলিম সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানো’-সহ নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন মধুপুরের পীর সাহেব আল্লামা আব্দুল হামীদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বরকতুল্লাহর অনুসারীরা বিগত ৪০ বছর যাবৎ ইসলামবিরোধী নবুওয়াতের দাবির মাধ্যমে মুসলমানদের ঈমান-আকিদা হুমকির মুখে ফেলছে। তাদের এসব কর্মকাণ্ডে ১৯৯৭ সালে দোহার-নবাবগঞ্জসহ আশপাশের তৌহিদি জনতা প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে। অথচ এখন উল্টা তারাই বিভিন্ন ইসলামী আলেম ও তৌহিদি জনতার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করছে।’
আল্লামা আব্দুল হামীদ আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এখানে খতমে নবুওয়াতের মৌলিক আকিদা লঙ্ঘন করে কোনো অপপ্রচার বা নবী দাবির স্থান হতে পারে না। সরকারকে এসব কাদিয়ানি গোষ্ঠীর অপতৎপরতা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।’
সমাবেশে বক্তারা বরকতুল্লাহ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ, তাদের অপপ্রচার বন্ধ ও তাদের দায়ের করা সকল ‘ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক’ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ খতমে নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি নূরুল হক খামেনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিন ইয়ামিন সাহাবি, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, গালিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তপন মোল্লা।
এতে ঢাকা জেলা নবুওয়াত সংরক্ষণ কমিটির নেতা, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলার নেতারা অংশগ্রহণ করেন।





