ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগরে ভারতীয় সীমান্তে সিংগারবিল ইউনিয়নের নলগড়িয়া ও নোয়াবাদী এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে ভারতীয় নাগরিকদের পুশ ইনের আশঙ্কায় টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি)।

পুশ ইনের খবরে এলাকায় স্থানীয় মসজিদে মসজিদে রাতে মাইকিং করা হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

জানা গেছে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা বিমানবন্দরের পাশের গেটের কাছে প্রায় ১৫০ জন ভারতীয় নাগরিক জড়ো হয়েছে। তখন গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানার পর বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ (বিজিবি) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি সতর্কতা অবলম্বন করে রাতজুড়ে সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়।

ওই এলাকার আনিস মিয়া, ফজলুল হকসহ একাধিক স্থানীয়রা জানান, বিজিবির টহল তৎপরতা বেড়ে গেলে সীমান্ত এলাকার গ্রামবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় কয়েকটি মসজিদ থেকে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো: আতাউল্লাহ রাত ৩টা ৩৩ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় বিজয়নগর উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নবাসীকে যাদের যা কিছু আছে তা নিয়ে ভারতীয় সীমান্তে চলে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিজিবি’কে সহায়তা করার অনুরোধ করেন।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দিবাগত মধ্যরাতে। ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘটনাস্থলের ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে, যা আরো আতঙ্ক বাড়িয়ে দেয়।

২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, ‘বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে আমরা সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারতীয় নাগরিকদের পুশ ইনের আশঙ্কায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়।’

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অনুপ্রবেশ ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

সূত্র : বাসস